সুন্নত সমূহ
ফিরে যান
সুন্নত সমূহ
দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় সুন্নত ও আদব
(১)
উভয় পায়ের আঙ্গুল সমূহ কিবলামুখী রাখা এবং উভয় পায়ের মাঝখানে চার আঙ্গুল; ঊর্ধ্বে এক বিঘত পরিমাণ ফাঁকা রাখা।
রেফারেন্স
(২)
তাকবীরে তাহরিমার সময় চেহারা কেবলার দিকে রেখে নজর সিজদার জায়গায় রাখা এবং হাত ওঠানোর সময় মাথা না ঝোঁকানো।
রেফারেন্স
(৩)
পুরুষের জন্য তাকবীরে তাহরিমা বলার সময় উভয় হাত কান পর্যন্ত ওঠানো –অর্থাৎ উভয় হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলী কানের লতি পর্যন্ত ওঠানো।
রেফারেন্স
(৪)
হাত ওঠানোর সময় উভয় হাতের তালু কিবলামুখী রাখা।
রেফারেন্স
(৫)
হাত ওঠানোর সময় আঙ্গুলসমূহ স্বাভাবিক ভাবে রাখা অর্থাৎ একেবারে মিলিয়েও না রাখা আবার বেশি ছড়িয়েও না রাখা।
রেফারেন্স
(৬)
মুক্তাদির তাকবীরে তাহরিমা ইমামের তাকবীরে তাহরিমার পর সাথে সাথে হওয়া। তবে মনে রাখতে হবে মুক্তাদির তাকবীরে তাহরিমা যদি ইমামের আগেই সমাপ্ত হয়ে যায় তাহলে ইকতিদা সহিহ হবে না।
রেফারেন্স
(৭)
হাত বাধার সময় ডান হাতের তালু বাম হাতের পিঠের উপর রাখা।
রেফারেন্স
(৮)
ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি ও কনিষ্ঠাগুলি দ্বারা বৃত্ত বানিয়ে বাম হাতের কব্জি বেষ্টন করে ধরা।
রেফারেন্স
(৯)
মাঝের তিন আঙ্গুল বাহুর উপর স্বাভাবিকভাবে রাখা।
রেফারেন্স
(১০)
নাভির নিচে হাত বাধা (পুরুষের জন্য)।
রেফারেন্স
(১১)
সানা অর্থাৎ সুবহানাকাল্লাহুম্মা শেষ পর্যন্ত পড়া।
রেফারেন্স
(১)
ডান পা দিয়ে মসজিদে প্রবেশ করা।
রেফারেন্স
(২)
প্রবেশের সময় দোয়া পড়া: “আল্লাহুম্মাফতাহ লী আবওয়াবা রাহমাতিক” (হে আল্লাহ, আমার জন্য তোমার রহমতের দরজাসমূহ খুলে দাও)।
রেফারেন্স
(৩)
মসজিদে প্রবেশ করে বসার আগে দুই রাকাত তাহিয়্যাতুল মসজিদ আদায় করা।
রেফারেন্স
(৪)
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে ও উত্তম পোশাকে মসজিদে যাওয়া।
রেফারেন্স
(১)
বাম পা দিয়ে মসজিদ থেকে বের হওয়া।
রেফারেন্স
(২)
বের হওয়ার সময় দোয়া পড়া: “আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাদলিক” (হে আল্লাহ, আমি তোমার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি)।
রেফারেন্স
(৩)
প্রবেশ ও বাহিরের সময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি দরুদ পাঠ করা।
রেফারেন্স
(১)
বাম পা দিয়ে প্রবেশ করা এবং ডান পা দিয়ে বের হওয়া (মসজিদের বিপরীত)।
রেফারেন্স
(২)
প্রবেশের পূর্বে দোয়া পড়া: “আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযু বিকা মিনাল খুবুছি ওয়াল খাবাইছ”।
রেফারেন্স
(৩)
প্রয়োজন ছাড়া খোলা স্থানে কিবলামুখী হয়ে বা কিবলার দিকে পিঠ দিয়ে বসা থেকে বিরত থাকা।
রেফারেন্স
(৪)
ডান হাত দিয়ে পবিত্রতা অর্জন বা লজ্জাস্থান স্পর্শ না করা, বাম হাত ব্যবহার করা।
রেফারেন্স
(৫)
বের হওয়ার পর দোয়া পড়া: “গুফরানাক” (হে আল্লাহ, আমি তোমার ক্ষমা প্রার্থনা করি)।
রেফারেন্স
(১)
বিসমিল্লাহ বলে ওজু শুরু করা।
রেফারেন্স
(২)
ওজুর শুরুতে মিসওয়াক করা।
রেফারেন্স
(৩)
প্রথমে উভয় হাতের কব্জি পর্যন্ত তিনবার ধোয়া।
রেফারেন্স
(৪)
কুলি করা ও নাকে পানি দিয়ে ঝাড়া, প্রতিটি তিনবার করে।
রেফারেন্স
(৫)
অঙ্গগুলো ধোয়ার সময় ডান দিক থেকে শুরু করা।
রেফারেন্স
(৬)
ওজু শেষে কালিমা শাহাদাত পাঠ করা।
রেফারেন্স
(১)
বিসমিল্লাহ বলে নিয়তসহ গোসল শুরু করা।
রেফারেন্স
(২)
প্রথমে উভয় হাত ধোয়া, এরপর লজ্জাস্থান ও শরীরে লেগে থাকা ময়লা পরিষ্কার করা।
রেফারেন্স
(৩)
নামাজের ওজুর মতো ওজু করা (পা ধোয়া শেষে রাখা যায়)।
রেফারেন্স
(৪)
মাথায় তিনবার পানি ঢেলে চুলের গোড়ায় পানি পৌঁছানো, অতঃপর সারা শরীরে ডান দিক থেকে শুরু করে পানি ঢালা।
রেফারেন্স
(১)
বিসমিল্লাহ বলে নিয়তসহ শুরু করা।
রেফারেন্স
(২)
পাক মাটি বা মাটিজাতীয় বস্তুর উপর একবার উভয় হাত রাখা।
রেফারেন্স
(৩)
উভয় হাত দ্বারা সম্পূর্ণ মুখমণ্ডল মাসাহ করা।
রেফারেন্স
(৪)
পুনরায় মাটিতে হাত রেখে উভয় হাত কনুইসহ মাসাহ করা (হানাফি মাযহাব)।
রেফারেন্স
(১)
ওজু অবস্থায় ঘুমাতে যাওয়া।
রেফারেন্স
(২)
ডান কাতে শুয়ে ডান হাতের তালু গালের নিচে রাখা।
রেফারেন্স
(৩)
শোয়ার আগে বিছানা ঝেড়ে নেওয়া।
রেফারেন্স
(৪)
আয়াতুল কুরসি এবং সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পাঠ করা।
রেফারেন্স
(৫)
ঘুমানোর দোয়া পড়া: “বিসমিকা আল্লাহুম্মা আমুতু ওয়া আহইয়া”।
রেফারেন্স
(১)
ঘুম থেকে জেগে দোয়া পড়া: “আলহামদু লিল্লাহিল্লাযি আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশুর”।
রেফারেন্স
(২)
হাত মুখ ধোয়ার আগে হাত পাত্রে না ডোবানো, প্রথমে হাত ধুয়ে নেওয়া।
রেফারেন্স
(৩)
মিসওয়াক করা।
রেফারেন্স
(৪)
ঘুম থেকে জেগে চোখ মুছে আল্লাহর যিকির করা।
রেফারেন্স
(১)
বিসমিল্লাহ বলে ডান হাতে খাওয়া শুরু করা।
রেফারেন্স
(২)
পাত্রের নিজের কাছের অংশ থেকে খাওয়া।
রেফারেন্স
(৩)
হেলান দিয়ে না বসে খাওয়া।
রেফারেন্স
(৪)
খাবার পড়ে গেলে তা তুলে পরিষ্কার করে খাওয়া, অপচয় না করা।
রেফারেন্স
(৫)
খাওয়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা।
রেফারেন্স
(১)
বিসমিল্লাহ বলে ডান হাতে পান করা।
রেফারেন্স
(২)
বসে পান করা (দাঁড়িয়ে পান করা থেকে বিরত থাকা মুস্তাহাব)।
রেফারেন্স
(৩)
একনিঃশ্বাসে না পান করে তিন নিঃশ্বাসে পান করা, পাত্রে নিঃশ্বাস না ফেলা।
রেফারেন্স
(৪)
পান শেষে আলহামদুলিল্লাহ বলা।
রেফারেন্স
(১)
সাহরি খাওয়া, এতে বরকত রয়েছে।
রেফারেন্স
(২)
রাতের শেষ ভাগে দেরি করে সাহরি খাওয়া।
রেফারেন্স
(৩)
খেজুর দিয়ে সাহরি করা উত্তম।
রেফারেন্স
(১)
সূর্যাস্তের সাথে সাথে তাড়াতাড়ি ইফতার করা।
রেফারেন্স
(২)
তাজা বা শুকনো খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা, না পেলে পানি দিয়ে।
রেফারেন্স
(৩)
ইফতারের দোয়া পড়া: “যাহাবাজ যামাউ ওয়াবতাল্লাতিল উরূকু ওয়া ছাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ”।
রেফারেন্স
(১)
রমজান মাসে অধিক পরিমাণে কুরআন তেলাওয়াত করা।
রেফারেন্স
(২)
তারাবিহর নামাজ আদায় করা।
রেফারেন্স
(৩)
বেশি বেশি দান-সদকা করা।
রেফারেন্স
(৮)
শেষ দশকে ইতিকাফ করা।
রেফারেন্স
(১)
ঈদের দিন গোসল করা।
রেফারেন্স
(২)
উত্তম ও পরিষ্কার পোশাক পরিধান করা।
রেফারেন্স
(৩)
ঈদগাহে হেঁটে যাওয়া।
রেফারেন্স
(৪)
এক পথে ঈদগাহে যাওয়া এবং অন্য পথ দিয়ে ফিরে আসা।
রেফারেন্স
(১)
মিসওয়াক করা।
রেফারেন্স
(২)
সুগন্ধি ব্যবহার করা।
রেফারেন্স
(৩)
ঈদুল ফিতরের নামাজের পূর্বে কিছু (বিশেষত খেজুর) খেয়ে যাওয়া।
রেফারেন্স
(৪)
ঈদুল আযহায় নামাজের পূর্বে কিছু না খেয়ে যাওয়া, কুরবানীর গোশত দিয়ে খাওয়া শুরু করা।
রেফারেন্স
(১)
সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য কুরবানী করা।
রেফারেন্স
(২)
ধারালো ছুরি ব্যবহার করে দ্রুত ও সহজভাবে যবেহ করা।
রেফারেন্স
(৩)
পশুকে কিবলামুখী করে বাম কাতে শুইয়ে যবেহ করা।
রেফারেন্স
(৪)
যবেহের সময় “বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার” বলা।
রেফারেন্স
(১)
মিথ্যা কথা ও মিথ্যা কাজ থেকে বিরত থাকা।
রেফারেন্স
(২)
অশ্লীল কথা ও ঝগড়া থেকে বিরত থাকা; কেউ গালি দিলে বলা “আমি রোযাদার”।
রেফারেন্স
(৩)
রোযা অবস্থায় বেশি বেশি দান ও কুরআন তেলাওয়াত করা।
রেফারেন্স
(১)
পোশাক পরিধানের সময় ডান দিক থেকে শুরু করা।
রেফারেন্স
(২)
পোশাক পরিধানের দোয়া পড়া: “আলহামদু লিল্লাহিল্লাযি কাসানী হাযা”।
রেফারেন্স
(৩)
পুরুষদের জন্য টাখনুর উপরে কাপড় রাখা।
রেফারেন্স
(৪)
পোশাক খোলার সময় বাম দিক থেকে শুরু করা।
রেফারেন্স
(১)
নিয়মিত নখ কাটা, চল্লিশ দিনের বেশি না রাখা।
রেফারেন্স
(২)
নখ কাটার সময় ডান হাত থেকে শুরু করা মুস্তাহাব।
রেফারেন্স
(৩)
জুমার দিনে নখ কাটা ও পরিচ্ছন্নতা অর্জন করা উত্তম।
রেফারেন্স
(১)
সফরে বের হওয়ার আগে দোয়া পড়া ও বাহনে চড়ার দোয়া পাঠ করা।
রেফারেন্স
(২)
একাকী সফর না করা, সঙ্গী নিয়ে সফর করা।
রেফারেন্স
(৩)
সফরে থাকা অবস্থায় নামাজ কসর করা।
রেফারেন্স
(৪)
সফর থেকে ফিরে প্রথমে মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা।
রেফারেন্স
(১)
বিবাহের প্রস্তাবের ব্যাপারে ইস্তিখারা করা।
রেফারেন্স
(২)
বিবাহের ঘোষণা দেওয়া ও ওলিমা করা।
রেফারেন্স
(৩)
বাসর রাতে স্ত্রীর কপালে হাত রেখে দোয়া পড়া।
রেফারেন্স
(৪)
স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মিলনের পূর্বে দোয়া পড়া।
রেফারেন্স
(১)
মুমূর্ষু ব্যক্তিকে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” তালকিন করা।
রেফারেন্স
(২)
মুমূর্ষু ব্যক্তির পাশে ভালো কথা বলা, আল্লাহর প্রতি সুধারণা রাখতে সাহায্য করা।
রেফারেন্স
(৩)
মৃত্যুর পর চোখ বন্ধ করে দেওয়া।
রেফারেন্স
(৪)
মৃতের জন্য দোয়া করা ও পরিবারের প্রতি ধৈর্যের উপদেশ দেওয়া।
রেফারেন্স
(১)
জুমার দিন গোসল করা।
রেফারেন্স
(২)
উত্তম পোশাক ও সুগন্ধি ব্যবহার করা।
রেফারেন্স
(৩)
জুমার দিন সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা।
রেফারেন্স
(৪)
আগেভাগে মসজিদে গিয়ে সামনের কাতারে বসা।
রেফারেন্স
(৫)
খুতবা চলাকালীন চুপ থাকা ও মনোযোগ দিয়ে শোনা।
রেফারেন্স
(১)
উভয় হাত উঠিয়ে দোয়া করা।
রেফারেন্স
(২)
আল্লাহর প্রশংসা ও রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি দরুদ দিয়ে দোয়া শুরু করা।
রেফারেন্স
(৩)
বিনয় ও একাগ্রতার সাথে দোয়া করা এবং কবুল হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস রাখা।
রেফারেন্স
(৪)
দোয়া শেষে হাত দিয়ে মুখমণ্ডল মাসাহ করা।
রেফারেন্স
(১)
কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে আযান দেওয়া।
রেফারেন্স
(২)
উভয় হাতের আঙুল কানে প্রবেশ করানো।
রেফারেন্স
(৩)
সুস্পষ্ট ও সুন্দর কণ্ঠে ধীরে ধীরে আযান দেওয়া।
রেফারেন্স
(৪)
আযান শুনে শ্রোতাদের মুয়াজ্জিনের কথার পুনরাবৃত্তি করা।
রেফারেন্স
(১)
আযানের চেয়ে দ্রুতগতিতে ইকামত বলা।
রেফারেন্স
(২)
ইকামত শোনার সাথে সাথে নামাজের জন্য দাঁড়ানো।
রেফারেন্স
(৩)
কাতার সোজা ও ফাঁকা ছাড়া মিলিয়ে দাঁড়ানো।
রেফারেন্স
(১)
মজলিসে প্রবেশ করে সালাম দেওয়া।
রেফারেন্স
(২)
যেখানে জায়গা পাওয়া যায় সেখানে বসা, অন্যকে ঠেলে সরিয়ে না বসা।
রেফারেন্স
(৩)
মজলিস শেষে কাফফারার দোয়া পাঠ করে ওঠা।
রেফারেন্স
(১)
সত্য ও কল্যাণকর কথা বলা, নতুবা চুপ থাকা।
রেফারেন্স
(২)
কথা বলার সময় অন্যকে মনোযোগ দিয়ে শোনা, কথার মাঝে বাধা না দেওয়া।
রেফারেন্স
(৩)
উচ্চস্বরে ও অপ্রয়োজনীয় তর্ক-বিতর্ক থেকে বিরত থাকা।
রেফারেন্স
(১)
মিসওয়াক করা।
রেফারেন্স
(২)
নখ কাটা।
রেফারেন্স
(৩)
গোঁফ ছোট রাখা ও দাড়ি লম্বা রাখা।
রেফারেন্স
(৪)
বগল ও নাভির নিচের পশম পরিষ্কার করা।
রেফারেন্স
(১)
নবজাতকের ডান কানে আযান ও বাম কানে ইকামত দেওয়া।
রেফারেন্স
(২)
তাহনীক করা (খেজুর নরম করে শিশুর মুখে ঘষে দেওয়া)।
রেফারেন্স
(৩)
সপ্তম দিনে সুন্দর নাম রাখা, মাথা মুণ্ডন করা ও আকীকা দেওয়া।
রেফারেন্স
(১)
দাড়ি লম্বা রাখা এবং গোঁফ ছোট করে ছাঁটা।
রেফারেন্স
(২)
চুল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা ও নিয়মিত আঁচড়ানো।
রেফারেন্স
(৩)
চুল বা দাড়ি সাদা হয়ে গেলে কালো ছাড়া অন্য রং (যেমন মেহেদি) দিয়ে খেজাব লাগানো।
রেফারেন্স
(১)
ঘরে প্রবেশের সময় সালাম দেওয়া।
রেফারেন্স
(২)
প্রবেশের দোয়া পড়া ও আল্লাহর নাম স্মরণ করা।
রেফারেন্স
(৩)
ডান পা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করা।
রেফারেন্স
(১)
বের হওয়ার সময় দোয়া পড়া: “বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ”।
রেফারেন্স
(২)
বাম পা দিয়ে ঘর থেকে বের হওয়া।
রেফারেন্স
(১)
আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম পড়া।
রেফারেন্স
(২)
প্রতি রাকাতের শুরুতে বিসমিল্লাহ পূর্ণ পড়া।
রেফারেন্স
(৩)
সূরা ফাতিহা শেষে নিম্নস্বরে আমীন বলা।
রেফারেন্স
(৪)
ফজর ও যোহর নামাজে তিওয়ালে মুফাসসাল অর্থাৎ সূরা হুজুরাত থেকে সূরা বুুরুজ পর্যন্ত সুরাসমূহের মধ্য হতে কোনো সূরা এবং আসর ও ইশার নামাজে আওয়াতে মুফাসসাল অর্থাৎ সূরা ত্বরিক থেকে সূরা লামিয়াকুন পর্যন্ত সুরাসমূহের মধ্য হতে কোনো সূরা এবং মাগরিবের কিসারে মুফাসসাল অর্থাৎ সূরা যুলযিলাত থেকে সূরা নাস পর্যন্ত সুরাসমূহের মধ্য হতে কোনো সূরা পড়া।
রেফারেন্স
(৫)
ফজরের প্রথম রাকাত দ্বিতীয় রাকাত অপেক্ষা দীর্ঘ করা।
রেফারেন্স
(৬)
কিরাত অত্যন্ত তাড়াতাড়ি বা একেবারে ধীরে না পড়া; বরং মধ্যম গতিতে পড়া।
রেফারেন্স
(৭)
ফরজ নামাজের তৃতীয় ও চতুর্থ রাকাতে শুধু সূরা ফাতিহা পড়া।
রেফারেন্স
(১)
রুকুতে যাওয়ার সময় আল্লাহু আকবার বলা।
রেফারেন্স
(২)
উভয় হাত দ্বারা হাটু ধরা।
রেফারেন্স
(৩)
পুরুষের জন্য হাঁটু ধরার ক্ষেত্রে হাতের আঙ্গুলসমূহ ছড়িয়ে রাখা।
রেফারেন্স
(৪)
উভয় হাত সম্পূর্ণ সোজা রাখা কনুই বাঁকা না করা।
রেফারেন্স
(৫)
পায়ের গোছা, হাঁটু ও উরু সম্পূর্ণ সোজা রাখা। হাঁটু সামনে বা পিছনে বাঁকা না করা।
রেফারেন্স
(৬)
পুরুষের জন্য মাথাপিঠ ও কোমর সমান রাখা। উঁচু-নিচু না করা এবং পায়ের দিকে নজর রাখা।
রেফারেন্স
(৭)
রুকুতে কমপক্ষে তিনবার রুকুর তাসবিহ সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম পড়া।
রেফারেন্স
(৮)
রুকু থেকে ওঠার সময় ইমামের উচ্চস্বরে সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ এবং মুক্তাদির আস্তে রাব্বানা লাকাল হামদ তথা একাকী নামাজির উভয় বাক্যই বলা।
রেফারেন্স
(১)
সিজদায় যাওয়ার সময় আল্লাহু আকবার বলা।
রেফারেন্স
(২)
সিজদায় যাওয়ার সময় প্রথমে হাঁটূদ্বয় জমিনে রাখা।
রেফারেন্স
(৩)
তারপর হাঁটু থেকে আনুমানিক এক হাত দূরে উভয় হাত রাখা এবং হাতের আঙ্গুলসমূহ কিবলামুখী করে সম্পূর্ণরূপে মিলিয়ে রাখা।
রেফারেন্স
(৪)
তারপর উভয়ে বৃদ্ধাঙ্গুলির মাথা বরাবর নাক রাখা।
রেফারেন্স
(৫)
অতঃপর কপাল রাখা।
রেফারেন্স
(৬)
অতঃপর দুই হাতের মাঝে সেজদা করা এবং দৃষ্টি নাকের অগ্রভাগের দিকে রাখা।
রেফারেন্স
(৭)
পাজরদ্বয় থেকে উভয়বাহু পৃথক রাখা।
রেফারেন্স
(৮)
কনুই মাটি ও হাঁটু থেকে পৃথক রাখা।
রেফারেন্স
(৯)
সিজদায় কমপক্ষে তিনবার সিজদার তাসবিহ সুবহানা রাব্বিয়াল আলা পড়া।
রেফারেন্স
(১০)
সিজদা থেকে ওঠার সময় আল্লাহু আকবার বলা।
রেফারেন্স
(১)
বাম পা বিছিয়ে তার উপর বসা। ডান পা সোজাভাবে খাড়া রাখা। উভয় পায়ের আঙ্গুল সমূহ সাধ্যমত কিবলার দিকে মুড়িয়ে রাখা।
রেফারেন্স
(২)
উভয় হাত রানের উপর রাখা হাঁটু বরাবর করে রাখা এবং দৃষ্টি কোলের উপর রাখা।
রেফারেন্স
(৩)
তাশাহুদের মধ্যে আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলার সময় মধ্যমা ও বৃদ্ধাঙ্গুলির মাথা একসঙ্গে মিলিয়ে গোলাকার বৃত্ত বানানো এবং শাহাদাত আঙ্গুল উঁচু করে ইশারা করা এবং ইল্লাল্লাহ বলার সময় তা নিচু করে ফেলা।
রেফারেন্স
(৪)
শেষ বৈঠকে আত্মহিয়াতু পড়ার পর দরুদ শরীফ পড়া।
রেফারেন্স
(৫)
দরুদ শরীফের পর দোয়ায়ে মাসুরা পড়া।
রেফারেন্স
(৬)
উভয় দিকে সালাম ফিরানো।
রেফারেন্স
(৭)
ডানদিকে আগে সালাম ফিরানো। উভয় সালাম কিবলার দিক থেকে আরম্ভ করা এবং সালামের সময় দৃষ্টি কাধের দিকে রাখা।
রেফারেন্স
(৮)
ইমামের উভয় সালামে মুক্তাদী, ফেরেশতা ও নামাজী জিনদের প্রতি সালাম করার নিয়ত করা।
রেফারেন্স
(৯)
মুক্তাদীগণের উভয় সালামে ইমাম, অন্যান্য মুসল্লি, ফেরেশতা ও নামাজী জিনদের প্রতি সালাম করার নিয়ত করা।
রেফারেন্স
(১০)
একাকী নামাজী ব্যক্তি শুধু ফেরেশতাগণের প্রতি সালাম করার নিয়ত করা।
রেফারেন্স
(১১)
মুক্তাদীগণের ইমামের সালাম ফিরানোর পরপরই সালাম ফিরানো।
রেফারেন্স
(১২)
দ্বিতীয় সালাম প্রথম সালাম অপেক্ষা আস্তে বলা।
রেফারেন্স
(১৩)
ইমামের দ্বিতীয় সালাম ফিরানো শেষ হলে মাসবুকের ছুটে যাওয়া নামাজ আদায়ের জন্য দাঁড়ানো।
রেফারেন্স